শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
Headline
Headline
পটিয়ায় আজ সাতগাউছিয়া দরবার শরীফের বার্ষিক ওরশ উল্টোডাঙ্গা লিটল ম্যাগাজিন মেলা ২০২৪ শুভ সূচনা ও পোস্টকার্ড স্বাক্ষর অভিযান ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরে টেংরিয়া প্রধান পাড়ায় মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত ভালুকায় পৌর সেচ্ছাসেবক লীগের আনন্দ র‍্যালী পটিয়ায় অটো টেম্পো সমিতির সমাবেশে বক্তারা- হাইওয়ে পুলিশ হয়রানি বন্ধের দাবি মাদারীপুর সাংবাদিক কল্যাণ সমিতি থেকে গোলাম মাওলা বহিস্কার ঝিকরগাছার নাভারণ হাইওয়ে পুলিশের ওপেন হাউজ ডে পালন প্রেসিডেন্ট পুলিশ মেডেল পদকে ভূষিত হলেন বরগুনার পুলিশ সুপার মোঃ আবদুস ছালাম বরগুনা প্রেসক্লাবে হামলার ঘটনায় মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ ইসলামপুরে বিভিন্ন রোগীদের মাঝে চেক বিতরণ ঠাকুরগাঁও জেলার জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনালেখ্য ও যুদ্ধকালীন ঘটনা/স্মৃতি নিয়ে নির্মিত “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিও চিত্র উদ্বোধন আমতলীতে কৃষি ব্যাংক এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গদখালি ফুলের রাজ্যে অশ্লীলতা, সমালোচনার ঝড় আমতলীর মেধাবী মুখ কেয়ামনি’র উচ্চ শিক্ষা নিয়ে সংশয় কক্সবাজারে গাজীপুর সদর প্রেসক্লাবের ১১তম বর্ষপূর্তি ও নয়া কমিটির অভিষেক উপলক্ষ্যে ৩ দিনের আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন আমতলী পৌর নির্বাচন ঘিরে চলছে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ,সংঘর্ষের আশংকায় পৌরবাসী রোড়ডিভাইডার বসায় যানবাহনে ফিরছে শৃঙ্খলা জাতীয় পরিসংখ্যান দিবসের আমতলীতে র‌্যালী আমতলীতে স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপন রামপালে স্থানীয় সরকার দিবস পালন
কমলগনঞ্জে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে চলছে আউস ধানকাটার উৎসব
/ ১৪২ Time View
Update : বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১, ৭:২০ পূর্বাহ্ন

মোঃমহিউদ্দীন খাঁন।কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ফসলের মাঠে চলছে এখন আউশ ধান ঘরে তোলার উৎসব। যদিও মৌসুমের শুরুতে আশানুরূপ বৃষ্টিপাতের দেখা মিলেনি। অন্যান্য বছরের যেসময়ে জেলার হাওর,বাওড়,নদী-নালা,খালবিল পানিতে ভরপুর থাকতো। এ বছরে গেল বছরের ন্যায় বর্ষার কোন চিরচেনা রূপ দেখা যায়নি। আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবে এই অঞ্চলে বষার্য়ও কাঙ্খিত বৃষ্টিপাতের দেখা নেই। অনেক কৃষক জমিতে আউশ ধানের চারা রোপন করেছিলেন। ফলে ভাল ফসলও পেয়েছেন। অন্যদিকে উপজেলার বহু কৃষক বৃষ্টি ও সেচের সংকটে আউশ চাষ করতে পারেননি। এবার বিরূপ আবহাওয়ার পর সকল প্রতিকুলতা কাটিয়ে আউশের ফলন ভালো হওয়ায় অবশেষে কমলগঞ্জ উপজেলার কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। কেউ কেউ ধান কাটার প্রস্তুুতি নিতে শুরু করেছে। আবার কেউ বা ধান কেটে ঘরে তোলার জন্য রোদ্রে শুকাচ্ছেন।
কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সুত্রে জানা যায়, উপজেলায় প্রায় ১০ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে এবছর আউশের চাষ হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার কম জমিতে আউশ ধান চাষ করা হলেও এবার ফলন ভাল হয়েছে গত বছরের চেয়ে। সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে সার,পোকা মাকড় ও আগাছা দমনসহ সকল বিষয়ে উপযুক্ত সময়ে পদক্ষেপ গ্রহন করে চাষীদের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। যে কারনে এ বছর আউশ ধানের ভাল ফলন হয়েছে এই উপজেলায়।

সরেজমিনে কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়ন,শমশেরনগর,রহিমপুর,মুন্সিবাজার, পতনঊষার ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায় আউশ ধান ঘরে তুলতে কৃষাণ, কৃষাণি কারও যেন একটুও অপেক্ষা নেই। চারদিকে এখন ধান কেটে ঘরে তোলার প্রতিযোগিতা। আকাশে ঝড়ের কালো রং দেখলেই কৃষক তাড়াতাড়ি ধান ঘরে তুলতে ব্যস্ত।
কৃষক,কৃষাণি ও অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়ে নিজ নিজ জমির আউশ ধান কর্তন করছেন,কেউ আবার মেশিনের মাধ্যমে মাড়াই করছেন,খড় থেকে ধান ছাড়াচ্ছেন,কোথাও আবার রাস্তায় খড় ও ধান রোদ্রে শুকাচ্ছেন।
মুন্সিবাজারের কৃষক আব্দুস ছামাদ জানান, এবার শুরু থেকে পানির অভাবে অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমার ৩ একর জমিতে আউশ ধান চাষ করেছি, ফলনও ভাল হয়েছে। ধান তুলতে ও শুকাতে কিছুটা কষ্ট পেতে হচ্ছে। আকাশে কিছু সময় বৃষ্টি আবার কিছু সময় রৌদ্র এবং বৃষ্টির পানিতে উঠান ভেজা থাকায় আমাদের ধান শুকাতে সমস্যা হচ্ছে।
শমশেরনগর ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল বারী, মছদ্দর আলী,আবুল কাশেম ও আমির আলী বলেন, বষার্র ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় প্রায় ১০ একর আউশ জমি চাষাবাদ করতে পারেনি। আউশের চারা রোপনে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। তবে অল্প অল্প বৃষ্টিপাতের মাঝে ৫ একর আউশ জমি চাষ করেছি তাতে ফসল ভাল হয়েছে। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে আরও কিছু জমি চাষ করা যেতো।

রহিমপুর ইউনিয়নের কৃষক আলতা মিয়া বলেন, বষার্কালে পানির অভাব ছিল এরকম কোনো সময় দেখিনি। আউশ জমিতে ক্ষেত করতে খুব ভোগান্তি পেতে হয়েছিল। আল্লাহর দয়ায় ফসল ভাল হওয়ায় এখন আনন্দ লাগছে। বউ বাচ্চাকে নিয়ে শান্তিতে ভাত খেতে পারবো।
কমলগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার বিশ্বজিৎ রায় বলেন,কৃষি অফিস থেকে কৃষকদের সকল প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে আমরা সার,সেচ,পোকা মাকড় ও আগাছা দমনসহ সকল বিষয়ে সঠিক সময়ে পদক্ষেপ গ্রহন করে চাষীদের পরামর্শ প্রদান করেছি। যে কারনে এ বছর বর্ষা মৌসুমে অল্প বৃষ্টির প্রতিকূলতা কাটিয়ে আউশ ধানের ভাল ফলন হয়েছে। এসময় তিনি আরো বলেন, যেসব কৃষকের ধান পাকা এবং কাটার উপযোগি হয়েছে তারা সময় নষ্ট না করে তারাতাড়ি ধান কেটে ফেলাই ভাল হবে। এতে ফলনের সঠিক পরিমান ঠিক থাকবে। নির্দিষ্ট সময়ে ধান না কাটলে বৃষ্টিপাতে ধান পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং যে পরিমানে ধান পাওয়ার কথা তার থেকে কম পাবে। নির্দিষ্ট সময়ে ধান কেটে সংগ্রহ করার আহবান জানান কৃষকদের।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page
March 2024
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
26272829  
Messenger
Messenger