শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০২:০০ অপরাহ্ন [gtranslate]
Headline
Headline
আমতলিতে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এলাকা ছাড়ার হুমকি পটিয়ায় ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকি: থানায় অভিযোগ মোল্লাহাটে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ চিএশিল্পী বিশ্বরূপ পালের একক চিত্র প্রদর্শনী শুভ সূচনা হলো ও অন্য শিল্পীদের আকর্ষণ করলো লোহাগাছ উত্তর পাড়া শুভ উদয় সংঘের সভা অনুষ্ঠিত নড়াইল সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন নীলফামারীতে আগুনে পুড়ে গেলো ৫ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লোহাগড়ায় ৬১ তম বার্ষিক মতুয়া মহাউৎসব অনুষ্ঠিত ইসলামপুরে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রামপালে ভুল চিকিৎসায় দরিদ্র ভ্যান চালকের স্ত্রী’র জীবন সংকটাপন্ন পটিয়ায় দোয়াত-কলম মার্কার সমর্থনে ডেকোরেটার্স মালিক সমিতির সভা অনুষ্ঠিত  তালতলীতে সভা সমাবেশে ব্যস্ত তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী ঝিকরগাছায় সেবা সংগঠনের আলোচনা সভা, ক্যাপ ও পুল প্রতিযোগিতায় ক্রেস বিতরণ ইসলামপুরের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হলেন আবিদা সুলতানা যূঁথী শ্রীপুর ও কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান, জামিল হাসান দুর্জয় ও সেলিম আজাদ উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী হাবিবুর রহমান হাবিব নীলফামারীতে জালভোট দেয়ার সময় আটক ৩ নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ ফেরতদের পুনরেকত্রিকরণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত অবনীন্দ্র সভাঘরে,‌ কবি সাতকর্ণী ঘোষের গ্রন্থ প্রকাশিত হলো… এই ভূমি সমগ্র জীবন গাজীপুরে জাল টাকাসহ দুইজন গ্রেফতার
নড়াইলে চারন কবি বিজয় সরকারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র পরিচর্যার অভাবে নষ্ট হচ্ছে
/ ৯৫ Time View
Update : বুধবার, ১৪ জুলাই, ২০২১, ১:৪০ অপরাহ্ন

উজ্জ্বল রায় (জেলা প্রতিনিধি) নড়াইল থেকে:
নড়াইলে একুশে পদকপ্রাপ্ত বিজয় সরকারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র পরিচর্যার অভাবে নষ্ট হচ্ছে।মঞ্চ, গ্রীন রুম চত্বর এখন গরু ও মাছের খাবার জ্বালানি ঘর হিসেবে ব্যবহৃত। গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয়ে নড়াইল সদরের ডুমদি গ্রামে বিজয় মঞ্চ নির্মাণ করা হয়। এখানে কবি যে ঘরে বসবাস করতেন সেখানে একটি টিনসেড ঘরও রয়েছে। পরিচর্যার অভাবে নষ্ট হচ্ছে কবির ব্যবহৃত খাট, পাদুকা, পাঞ্জাবিসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র। কবির বসতভিটায় কবি পরিবারের কেউ না থাকায় গ্রামবাসিদের সহায়তায় এখানে ৬ বছর আগে ডুমদি গ্রামের বাসিন্দা বিমল সিকদার নামে এক ব্যক্তি দেখাশোনা করলেও সে নিজেই মঞ্চ ও গ্রীন রুমে গরু ও মাছের খাবার রেখে ওই চত্বর নোংরা করছে। একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি সম্রাট বিজয় সরকারের বাড়ি সদরের ডুমদি গ্রামে অবস্থিত বিজয় সরকার মঞ্চ, গ্রীন রুম এবং চত্বর এখন গরু ও মাছের খাবার এবং জ্বালানি ঘর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এখানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকলেও বিলের অর্থ পরিশোধের অভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নেই সুপেয় পানির ব্যবস্থা। টয়লেট ব্যবস্থা থাকলেও সেখানে পোকা মাকড়ের মলসহ নোংরা পরিবেশ বিরাজ করছে। ৩৫ বছরেও সংরক্ষণ হয়নি বিজয় সরকারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র। এখানে বিজয় স্মৃতিসংগ্রহশালা নির্মানের জন্য এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি থাকলেও তা পূরণ হয়নি। কবির বসতভিটা সদর উপজেলার বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের ডুমদি গ্রামে যেতে এক কিলো মিটার রাস্তা এখনও পাকা হয়নি।

নড়াইল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চিত্রাংকন বিভাগের শিক্ষক নিখিল চন্দ্র দাস জানান, কিছু দিন আগে বিজয় সরকারের বাড়ি গিয়েছিলাম। দেখলাম কবি মঞ্চ, গ্রীন রুম এবং ওই এলাকা ময়লা আবর্জনায় ভরে গেছে। নৃত্যের শিক্ষক বিকাশ সিকদার জানান, গত শুক্রবার (৯জুলাই) বিজয় সরকারের বাড়িতে গিয়ে দেখি মঞ্চের ওপর বসে স্থানীয় এক ব্যক্তি গরুর খড় কাটছে। গ্রীন রুমে মাছের খাবার এবং জ্বালানী রাখা হয়েছে।

বাঁশগ্রাম ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ভবরঞ্জন রায় বলেন, গত ১৫ দিন আগেও বিজয় মঞ্চ ও গ্রীন রুম থেকে গরু ও মাছের খাবারসহ ওই এলাকা পরিস্কার করার ব্যবস্থা করেছিলাম। পরে আবার যা তাই। দুর-দুরান্ত থেকে প্রতিদিন এক থেকে দেড়’শো বিজয় ভক্ত তাঁর বাড়ি দেখতে আসেন। কিন্তু বর্ষাকালে বিপাকে পড়েন দর্শনার্থীরা। ১ কিঃমিঃ কাঁচা রাস্তা পাকাকরণের জন্য বিভিন্ন সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেন-দরবার করা হয়েছে। সর্বশেষ কয়েক মাস আগে এলজিইডির মাধ্যমে এমপির বিশেষ প্রকল্পের মধ্যে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া নড়াইল-২ আসনের সাবেক এমপি বিজয় সংগ্রহশালা নির্মানের জন্য ১৬ কোটি টাকার একটি প্রস্তাবনা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়েছিলেন। তারপর আর কি হয়েছে তা বলতে পারবো না।

এ ব্যাপারে নড়াইল জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, বিজয় মঞ্চ, গ্রীন রুম এবং ওই চত্বরের বেহাল অবস্থা সম্পর্কে আমার জানা নেই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দ্রত এসব অপসারণের ব্যবস্থা নিচ্ছি। এছাড়া ১ কিঃমিঃ রাস্তা পাকাকরণের বিষয়ে এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলবো এবং বিজয় সংগ্রহশালা নির্মানের প্রস্তাবনা কোন পর্যায়ে রয়েছে সে ব্যাপারে খোঁজ খবর নিচ্ছি।

পোষা পাখি উড়ে যাবে স্বজনী একদিন ভাবি নাই মনে’, ‘তুমি জাননা রে প্রিয় তুমি মোর জীবনের সাধনা’, ‘এ পৃথিবী যেমন আছে তেমনই ঠিক রবে, সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে’, ‘নবী নামের নৌকা গড় আল্লা নামের পাল খাটাও বিসমিল্লাহ বলিয়া মোমিন কুলের তরী খুলে দাও’, ‘জানিতে চাই দয়াল তোমার আসল নামটা কি’ এ রকম অসংখ্য গানের স্রষ্টা বাংলার কবিগানের অন্যতম প্রধান পুরুষ চারণ কবি বিজয় সরকার একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক ছিলেন। এক হাজার ৮০০ বেশি গান লিখেছেন তিনি। শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত হন। অসা¤প্রদায়িক চেতনার সুরস্রষ্টা কবিয়াল বিজয় সরকার ১৯০৩ সালের ২০ ফেব্রয়ারি নড়াইল সদরের নিভৃতপল্লী ডুমদি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বার্ধ্যকজনিত কারণে ১৯৮৫ সালের ৪ ডিসেম্বর ভারতে পরলোক গমন করেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কেউটিয়া গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page
May 2024
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930