রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন [gtranslate]
Headline
Headline
রামপালে মরিয়ম বেগম মেমোরিয়াল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার’র উদ্বোধন ঝিকরগাছা থানার দু’এএসআইসহ এক কনস্টেবলের বিদায় সংবর্ধনা যশোর থেকে যাত্রা শুরু করলো এশিয়ার প্রথম প্রি-ফ্যাব্রিকেটেড মডিউলার ডেটা সেন্টার ‘সাইফার’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য মনির হোসেনের স্মরণে কালীগঞ্জে আলোচনা ও দোয়া বরগুনা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু’র শুভেচ্ছা বিনিময় ডাসার প্রেসক্লাবের ১৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা। নড়াইলে যুব সংঘ মৎস্য খামারে বিষ প্রয়োগে মাছ নিধনের অভিযোগ পটিয়ায় তিনদিন ব্যাপি বইমেলায় অংশ নিয়েছেন চক্রশালা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী এলাকায়, দুদিনে হাতির হানায় মৃত ২ চৌদ্দগ্রামের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ইসলামপুরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত রামপালে দুইদিন ব্যাপী বই মেলার উদ্বোধন করলেন এমপি হাবিবুন নাহার রামপালে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় পালিত মহান শহিদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পটিয়ার নাইখাইন হাতে খড়ি শিশু বিদ্যা নিকেতন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় দুই বীর মুক্তিযোদ্ধার বিদায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত ভাষা শহীদদের স্বরণে গাজীপুর সদর উপজেলা প্রেসক্লাবের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়ায় এপেক্স ক্লাবের আয়োজনে মাতৃভাষা দিবস উদযাপন ঠাকুর গাঁও পীর গঞ্জে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক ফোরাম পুষ্পস্তবক অর্পণ আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সাদা রঙের পৃথিবীর মিউজিক লঞ্চ এবং ডক্টর সোহিনী শাস্ত্রীর বই প্রকাশ
💜জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন প্রেক্ষিত আজকের বাংলাদেশ- ইন্জিনিয়ার জসিম
/ ১৩৩ Time View
Update : শনিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২১, ৭:৩৪ অপরাহ্ন

সেলিম চৌধুরী স্টাফ রিপোর্টারঃ-
পটিয়া উপজেলা ক্রীড়ার সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আবাহনী সমর্থক গোষ্টির চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সভাপতি ইন্জিনিয়ার মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন
জাতির জনক ১৫ আগষ্ট উপলক্ষে এক শোক বার্তায় বলেছেন,
বিশ্বসম্মোহনীদের নামের তালিকায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম সবার শীর্ষে। তিনি সগৌরবে সম্মোহনীয়তার আসনে অভিষিক্ত। এটি বস্তুত ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের সর্বোচ্চ গুণাবলির রূপ। প্রত্যেক জাতির মুক্তির পিছনে এমন গুণাবলি সম্পন্ন নেতৃত্বের চিরস্মরণীয় অবদান থাকে। বাঙালি জাতির মুক্তির পিছনে রয়েছেন বাঙালি জাতির মুক্তির দূত রাজনীতিক, কবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান আমলে মাত্র ৩০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে ১৮ বার কারারুদ্ধ হয়ে ১২ বছর বা ৪ হাজার ৬শ’ ৮২ দিন জেলে কাটিয়েছেন। তিনিই প্রথম নেতা যিনি মাতৃভাষায় প্রথম জাতিসংঘে ভাষণ দিয়ে বাংলা ভাষার মুখ উজ্জ্বল করেন। ১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পর থেকে পূর্ব বাংলার মানুষের জন্য লড়াই শুরু করেন বঙ্গবন্ধু। এরপর ১৯৫২ সালে তিনি কারাগারে থাকাকালে পূর্ব বাংলার ছাত্রজনতা রাস্তায় নেমে আসে বঙ্গবন্ধুসহ রাজবন্দিদের মুক্তির জন্য। মিছিলে নির্বিচারে হত্যা করা হয় বাংলার দামাল ছেলেদের। তারপরে বাঙালির মুক্তির সনদ ৬৬’র ৬ দফা পেশ করাকে কেন্দ্র করে ওই বছরই ১২ বার গ্রেফতার হন বঙ্গবন্ধু। এতেও তিনি দমে যাননি বরং দৃঢ় সংকল্প করেছেন, যে করেই হোক পূর্ব বাংলার মানুষকে মুক্ত করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের। এরপরে আসে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ৭০-এর ঐতিহাসিক নির্বাচনে তার দল আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় পূর্ব বাংলা স্বাধীন হওয়ার পথ সুগম করে।
এতকিছু করেও যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাংলার নিরস্ত্র মানুষের ওপর হত্যা, জুলুুম, নির্যাতনের স্টিমরোলার অব্যাহত রাখলো তখন বঙ্গবন্ধু বুঝতে পারলেন বাংলার মানুষের মুক্তি দরকার। বাংলার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার চায়। তিনি ৭১-এর ৭ মার্চ তৎকালীন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রায় ১০ লাখ লোকের জনসমুদ্রে স্বাধীনতার ডাক দেন। বাংলার মানুষ তার ডাকে সাড়া দিয়ে নিজেদের যৎসামান্য প্রস্তুতি নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেমে পড়ে। শুরু হয় এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। দীর্ঘ নয় মাস রক্তের স্রোত বইয়ে বাংলার মানুষ স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে। বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানি কারাগার থেকে বেরিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশকে ঢেলে সাজানোর কাজে লেগে পড়েন। কিন্তু পাকিস্তানি অমানুষরা দেশ ত্যাগ করলেও তাদেরই কিছু এদেশীয় দোসররা গোপনে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। দেশের মানুষকে নিয়ে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। অল্প সময়ের মধ্যে সংবিধান তৈরি করে সরকার গঠন করেছেন। তিনি সরল মনে সবাইকে নিয়ে দেশ পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা শুরু করেন। কিন্তু পাকিস্তান এদেশীয় কিছু দোসরদের সাথে মিলে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে তাদের নোংরা ষড়যন্ত্রের বাস্তবরূপ দিতে তৎকালীন ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে এক ভয়ঙ্কর হত্যাযজ্ঞ চালায়। বঙ্গবন্ধুসহ পরিবারের সবাই সেদিন নিহত হয়। বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস ঐতিহ্য কলঙ্কিত হয়। দপ করে নিভে যায় কোটি বাঙালির অনুপ্রেরণায় জ্বলন্ত শিখা। দেশ চলে যায় দুষ্টচক্রের হাতে। তারা এদেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে পুতুল খেলা আরম্ভ করে। থমকে যায় দেশের অগ্রগতি। এরপর অনেক চড়াই-উতরাই পার করে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশের শাসনভার হাতে নেন। দেশের বাইরে থাকায় ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান তিনি এবং তার বোন শেখ রেহেনা।
একটি দেশের উন্নয়ন সামগ্রিক উন্নয়ননির্ভর করে যোগ্য শাসকের দক্ষ শাসনের উপর। শেখ হাসিনা যখন সরকার গঠন করলেন তখন বিধ্বস্ত দেশের অবকাঠামো, ভঙ্গুর দেশের অর্থনীতি উন্নয়নে মনোযোগী হলেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নাগরিক হিসেবে তাকে আমরা কতটা সহযোগিতা করছি! একটি দেশের উন্নয়ন সাধন কখনো একজন সরকার প্রধানের পক্ষে সম্ভব নয়। তার জন্য প্রয়োজন সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। বঙ্গবন্ধু কন্যা সুযোগ্য নেতৃত্বে দেশকে বিশ্ববাসীর কাছে মাথা উঁচু করে তুলে ধরতে চাইছেন। সেখানে আমরা বিভিন্ন কর্মকা-ের মাধ্যমে তার নেতৃত্ব ও দেশকে বিশ্ববাসীর কাছে ছোট প্রমাণিত করছি। দেশের উন্নয়নমূলক কাজে সহযোগিতার পরিবর্তে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি। আমাদের দেশের প্রধান সমস্যাগুলোর উল্লেখযোগ্য একটি হলো, দেশের শিক্ষিত সমাজের বড় একটি অংশ দুর্নীতিতে আচ্ছন্ন। দেশের যেখানেই উন্নয়নমূলক কর্মকা- সেখানেই যেন দুর্নীতির কালো ঢেউ আছড়ে পড়ছে।
দেশের সবচেয়ে বড় মেগা প্রকল্প পদ্মা সেতুর পরিকল্পনা গ্রহণ করার পর এই প্রকল্পের দুর্নীতির খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বব্যাংক এই উন্নয়ন প্রকল্প থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। পদ্মা সেতুর স্বপ্নকে স্বপ্নই রাখার জন্য এদেশীয় মানুষরূপী কিছু অমানুষ নীলনকশা করে। বিভিন্ন পরিকল্পনায় স্বাক্ষর করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের আশা-ভরসায় ছাই দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ অর্থে পদ্মা সেতু নির্মাণের দুঃসাহসিক সীদ্ধান্ত নেন। যারা বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলে অবজ্ঞা করেছিল তাদের সামনে পদ্মা সেতু দৃশ্যমান।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
Our Like Page
February 2024
M T W T F S S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
2728293031  
Messenger
Messenger